Skip to main content

Places of articulation

We produce different types of sounds. Those sounds are produced from different parts of our mouth, obviously. Those different parts have distinct names and the sounds that are produced from those parts, also have distinct names. In the following video I have talked about different places of articulation and tried to explain how different sounds are produced.
Link:
https://m.youtube.com/watch?v=efJedg934E0

Comments

Popular posts from this blog

FOUR STAGES OF LEARNING

সাদমান সাদিক ভাইয়ার একটা ইউটিউব vlog থেকে দারুণ জিনিস শিখেছিলাম। সেটাই আজকে সবার সাথে শেয়ার করছি। শেখার ৪টি ধাপ আছে। ধাপগুলো হলো- ১. Unconsciously incompetent ২. Consciously incompetent ৩. Consciously competent  ৪. Unconsciously competent  একেবারে প্রথম ধাপটার অর্থ হলো আমাদের শেখার এমন অবস্থা যে অবস্থায় আমরা জানিনা যে আমরা কি জানিনা। দ্বিতীয় ধাপটা আসে প্রথম ধাপটা অতিক্রম করার পরে এবং তা বোঝায় যে আমরা সচেতনভাবে জানি যে আমরা কি জানিনা। যেহেতু দ্বিতীয় ধাপে আমরা জানি আমরা কি জানিনা/আমাদের কি জানা প্রয়োজন, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে আমরা ইচ্ছা করলেই তা জেনে ফেলতে পারব। তারপরে আসে তৃতীয় ধাপ। যখন আমরা যা জানিনা সচেতনভাবে তা জেনে ফেলবো তখন আমরা শেখার তৃতীয় ধাপে চলে আসব। তারপর এমন হবে যে আমাদের জানা/পারা জিনিস আমরা অনেকবার করতে করতে অভ্যস্ত হয়ে যাব। ফলশ্রুতিতে আমরা তখন  আমাদের জানা/পারা কাজটা অচেতনভাবেই করে ফেলব। উদাহরণস্বরূপ, আমরা যখন অজু করি কখন শুরু করলাম আর কখন অজুর এক একটা ধাপ শেষ করলাম টেরই পেলাম না। অচেতনভাবে/ মনের অজান্তে কোন কাজ ঠিকঠাকই করেছি , এমন অবস্থা যখন হয় ...

হঠাৎ লেখা!

শীতের আগমনী মনে করিয়ে দেয় আগের স্মৃতিগুলো ভরিয়ে তোলে হঠাৎ মনপ্রাণ সবকিছু গ্রামের স্কুলের কাছের সেই পুকুরের ধারে বসে বসে সূর্যের আলোর খেলা মনে পড়ে মনে পড়ে কোলাহলপূর্ণ একটা মাঠের কথা।  একটা সময় কি সুন্দর সময় কেটেছে! বন্ধুদের আড্ডায় কি মজা হতো! শহরে আসার পর তো বয়স্কদের থেকে শুনি শহরেও একসময় চুটিয়ে আড্ডা হতো, আর এখন সবাই কেমন যেন যান্ত্রিক হয়ে গিয়েছে। হ্যাঁ, আমিও সেটাই মনে করি। মোবাইল, ইন্টারনেট এসব যেন আমাদের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এইসবের দরকার তো অবশ্যই আছে। কিন্তু আমরা নিজেদেরকে এইসব ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারিনা, আমাদেরই দোষ। কি দরকার সারাক্ষণ মোবাইলের ভেতর মুখ ডুবিয়ে বসে থাকার? আমি মাঝেমাঝে ভাবতাম এইসব করে আমি আমার আব্বু, আম্মুর চেয়ে অনেক জ্ঞানী হয়ে যাচ্ছি, মোবাইলে অনেক কিছু দেখতে পারছি যেটা ওনাদের আমলে ওনারা পারেননি। হ্যাঁ, অবশ্যই এমন অনেক সুবিধা আমরা পাচ্ছি, আর বিভিন্নকিছু সম্পর্কে জানতে পারা, মোবাইল, ইন্টারনেট এর একটা সুফল, কিন্তু আমরা কতজন মানুষ এইসব ভালো কাজে মোবাইল ব্যবহার করছি? খুবই কম মানুষ এসব বিষয়ে সচেতন।  আজকাল আমাদের বয়সী প্রায় সকলেই দেড়ি করে ঘুম ...

আসন্ন কাল...

কত স্মৃতি আসবে, কত স্মৃতি ভাসবে মনে, এই সময় মনে রাখবে আমাদের শত কালগর্ভে; কত গান হবে লেখা, কত ছড়া করা হবে রচনা, সব হাসি আর মায়া হয়ে রয়ে যাবে গল্পে। কত আরো আসবে মেয়ে, কত ছেলে আরো ভালবাসবে, আরো যে কত কান্না ঝড়বে মাটিতে ভালবাসা না পাওয়ার কষ্টে! আরো কত পথ হবে, কত হবে পথিক, এই একটা পৃথিবীই যেন হবে একটা সময় দশটা পৃথিবী। আরো কত আসবে বাবা, কত আসবে মা, আমাদের মতোই আরো আসবে কত সন্তান, সবাই মিলে একই আত্মা হয়ে রবে শান্তিতে! আরো কত গড়বে কথা, কত যে হবে উপদেশ, সবকিছুর পর  একদিন হবেই সব নিঃশেষ! এরপর শুরু হবে এক নতুন অধ্যায়...